মোঃ শরিফ বিল্লাহ
স্টাফ রিপোর্টার (রংপুর)
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে বিদ্যালয়টির ১০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এতে বিদ্যালয়টির এবারের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
এমন ফলাফলে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও কার্যকর পরিবর্তন দেখা যায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী থাকলেও নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির হার সন্তোষজনক নয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তাদের প্রশ্ন, একটি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি কীভাবে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব? এর পেছনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ—সবার ভূমিকা নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জানান, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তবে তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এমন ফলাফলের কারণ সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম নুরল আমিন শাহ বলেন, আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ার বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। বিদ্যালয়টির বিষয়ে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডোমার উপজেলার ৩৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ২ হাজার ৮৬২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৩২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৮ জন। উপজেলায় এবার সামগ্রিক পাসের হার ৫৭ দশমিক ২ শতাংশ।
প্রশ্ন উঠছে, একই উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেখানে সফল হয়েছে, সেখানে আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ জন পরীক্ষার্থীর একজনও কেন উত্তীর্ণ হতে পারল না? এখন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ, নিয়মিত পাঠদান ও ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
| ফজর | ৪:০০ - ৪:১৫ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট। দুপুর |
| আছর | ৫:১৫ - ৫:৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬:৫০ - ৭:০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৮:৩০ - ৮:৪৫ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট দুপুর |

