স্লুইসগেট ধসে ডোমারের জোড়াবাড়ীতে চরম দুর্ভোগ
মোঃ শরিফ বিল্লাহ
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হরিডারা নদীর ওপর নির্মিত একটি স্লুইসগেট ধসে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যাতায়াতের একমাত্র পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন কোমরসমান পানি পেরিয়ে কর্মস্থল ও গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন শত শত মানুষ।
সোমবার (৩ আগস্ট) ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, ভাঙা স্লুইসগেটের কারণে শিশু, নারী, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করছেন। কেউ সাইকেল কাঁধে, কেউ প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করছেন।
স্থানীয় দিনমজুর জসিম উদ্দিন জানান, প্রতিদিন কাজ না করলে সংসার চলে না। বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে গেলে ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হয়, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়। তাই বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে পানি পার হচ্ছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, এই স্লুইসগেটটি কয়েকটি গ্রামের প্রধান যাতায়াত পথ ছিল। এটি ধসে পড়ায় প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবার সরাসরি ভোগান্তিতে পড়েছে। পাশাপাশি কৃষিজমিতে পানি নিয়ন্ত্রণেও সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা কৃষকদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ভ্যান ও অটোরিকশা চালকরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করতে হওয়ায় জ্বালানি বা ব্যাটারির অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে, কিন্তু সেই তুলনায় আয় বাড়ছে না। ফলে অনেকের জীবিকা সংকটে পড়েছে।
জোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হাবীব বাবু জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত একটি অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
ডোমার উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ফিরোজ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্লুইসগেটের নিচে পানি প্রবেশের ফলে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং দ্রুত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা, নতুন স্লুইসগেট নির্মাণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
| ফজর | ৪:০০ - ৪:১৫ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট। দুপুর |
| আছর | ৫:১৫ - ৫:৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬:৫০ - ৭:০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৮:৩০ - ৮:৪৫ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট দুপুর |

