বাংলার লোকসঙ্গীত জগতে নেমে এলো গভীর শোক। লালনগীতি গেয়ে যিনি বিশ্ববাসীর হৃদয় জয় করেছিলেন, সেই লোকসঙ্গীতের সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই। আজ তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন।
ফরিদা পারভীন সারা জীবন ধরে লালন শাহের গানকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে লালনের দর্শন, আধ্যাত্মিকতা ও মানবতার বার্তা যেন জীবন্ত হয়ে উঠত। শুধু গান নয়, তিনি ছিলেন বাউল সঙ্গীতের এক নিবেদিত প্রাণ গবেষক ও সাধক।
দেশ-বিদেশে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। তবে মানুষের ভালোবাসাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বাংলার গ্রাম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গন—যেখানেই লালনের গান ধ্বনিত হয়েছে, সেখানেই উচ্চারিত হয়েছে ফরিদা পারভীনের নাম।
আজ তাঁর চলে যাওয়ায় বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীতাঙ্গন এক অনন্য প্রতিভাকে হারালো। তবুও তাঁর কণ্ঠে ধারণ করা লালনের গান যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।
| ফজর | ৪:০০ - ৪:১৫ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট। দুপুর |
| আছর | ৫:১৫ - ৫:৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬:৫০ - ৭:০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৮:৩০ - ৮:৪৫ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১:১৫ - ১:৩০ মিনিট দুপুর |

